পাকিস্তানের মাটিতে যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর বন্দি হয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসা ভারতীয় বিমানবাহিনীর উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান সামরিক জীবন পেছনে ফেলেছেন। ২২ বছরের সামরিক ক্যারিয়ার শেষ করে ভারতীয় বিমানবাহিনী থেকে আগাম অবসর নিয়েছেন তিনি। তবে অবসর নিয়ে এবার বেসরকারি এয়ারলাইন্স 'ফ্লাই৯১'-এ কমার্শিয়াল পাইলট হিসেবে যোগ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানায়, ভারতের গোয়াভিত্তিক আঞ্চলিক এয়ারলাইন্স ‘ফ্লাই৯১’-এ গত আগস্ট মাসে সাধারণ কমার্শিয়াল পাইলট হিসেবে যোগ দেন অভিনন্দন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি আগাম অবসরের পথ বেছে নেন। তবে নতুন পেশায় যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে অভিনন্দন নিজের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চে আত্মপ্রকাশ করা ফ্লাই৯১ এয়ারলাইনস বর্তমানে 'এটিআর ৭২-৬০০' মডেলের ছয়টি উড়োজাহাজ দিয়ে তাদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উইং কমান্ডার অভিনন্দনের নাম আলোচনায় আসে ২০১৯ সালে। ওই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতশাসিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় এক প্রাণঘাতী আত্মঘাতী হামলায় ভারতের অন্তত ৪২ জন জওয়ান নিহত হন। সেই হামলার জবাবে ১২ দিন পর ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে আকাশপথে বিমান হামলা বা 'বালাকোট স্ট্রাইক' চালায়।
এর পরদিনই দুদেশের মধ্যে আকাশপথে রক্তক্ষয়ী আকাশযুদ্ধ শুরু হয়। ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করতে গিয়ে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান অভিনন্দনের মিগ-২১ বাইসন বিমানটি গুলি করে ভূপাতিত করে। এতে বিমানটি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এসে পড়লে তাকে বন্দি করে পাকিস্তানি সেনারা। পরবর্তীতে কূটনৈতিক চাপের মুখে তিন দিন পর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে অভিনন্দনকে ভারতের হাতে ফেরত দেয় ইসলামাবাদ।
যুদ্ধকালীন সময়ে সাহসিকতা ও সামরিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ওই বছরই অভিনন্দনকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পদক 'বীরচক্র'-এ ভূষিত করে ভারত সরকার।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
সংবাদসংস্থা পিটিআই জানায়, ভারতের গোয়াভিত্তিক আঞ্চলিক এয়ারলাইন্স ‘ফ্লাই৯১’-এ গত আগস্ট মাসে সাধারণ কমার্শিয়াল পাইলট হিসেবে যোগ দেন অভিনন্দন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি আগাম অবসরের পথ বেছে নেন। তবে নতুন পেশায় যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে অভিনন্দন নিজের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মার্চে আত্মপ্রকাশ করা ফ্লাই৯১ এয়ারলাইনস বর্তমানে 'এটিআর ৭২-৬০০' মডেলের ছয়টি উড়োজাহাজ দিয়ে তাদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উইং কমান্ডার অভিনন্দনের নাম আলোচনায় আসে ২০১৯ সালে। ওই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতশাসিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় এক প্রাণঘাতী আত্মঘাতী হামলায় ভারতের অন্তত ৪২ জন জওয়ান নিহত হন। সেই হামলার জবাবে ১২ দিন পর ভারতীয় বিমানবাহিনী পাকিস্তানের বালাকোটে আকাশপথে বিমান হামলা বা 'বালাকোট স্ট্রাইক' চালায়।
এর পরদিনই দুদেশের মধ্যে আকাশপথে রক্তক্ষয়ী আকাশযুদ্ধ শুরু হয়। ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করতে গিয়ে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান অভিনন্দনের মিগ-২১ বাইসন বিমানটি গুলি করে ভূপাতিত করে। এতে বিমানটি পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এসে পড়লে তাকে বন্দি করে পাকিস্তানি সেনারা। পরবর্তীতে কূটনৈতিক চাপের মুখে তিন দিন পর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে অভিনন্দনকে ভারতের হাতে ফেরত দেয় ইসলামাবাদ।
যুদ্ধকালীন সময়ে সাহসিকতা ও সামরিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ওই বছরই অভিনন্দনকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক পদক 'বীরচক্র'-এ ভূষিত করে ভারত সরকার।
আন্তজার্তিক ডেস্ক